সংবাদ শিরোনাম:

চোখে সানগ্লাস, হাতে রাইফেল! হলিউড নয়, এটা পাকিস্তান!

ডেস্ক রিপোর্ট : মাথায় বোরখা কিংবা ওড়নায় ঢাকা মুখ। পাকিস্তান বললেই কী এমন ছবি ভেসে ওঠে? উপরের ছবিটা দেখলে কিন্তু সেই ধারণা বদলে যাবে। হ্যাঁ, আগুনের কুণ্ডের সামনে রাইফেল হাতে দাঁড়ানো এই নারী একজন পাকিস্তানি।

দুনিয়ার সামনে কার্যত নিজেদের সম্পর্কে ধারণাটাই বদলে দিয়েছেন একদল পাকিস্তানি নারী। কয়েক টন ড্রাগ পুড়িয়ে ‘হিরো’ পাকিস্তানের অ্যান্টি নারকোটিকস ডিপার্টমেন্টের সেই নারীরা।

পেশোয়ারে বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রায় ৪০০ কেজি অবৈধ মাদক পুড়িয়ে ফেলে এএনএফ। সেই মাদক পোড়ানোর সময়ই ছবিগুলি তুলেছেন এএনএফ বাহিনীর নারী সদস্যেরা। পরে সেগুলিই ভাইরাল হয়ে যায়।

কোনও ছবিতে সানগ্লাস চোখে সেলফি তুলছেন এক নারী। আবার কোনোটায় একেবারে হলিউডি হিরোইনের ধাঁচে পোজ দিচ্ছেন রাইফেল হাতে। এর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় অজস্র প্রশংসাসূচক ও ইতিবাচক মন্তব্য আসে। কেউ লিখেছেন, ‘এর থেকেই বোঝা যায় পাকিস্তানি নারীরা এখন আর পর্দার আড়ালে নেই। তাঁদের সত্যিই ক্ষমতায়ন হয়েছে।’

এদের প্রত্যেকের মাথায় হিজাব, গায়ে খাঁকি উর্দি। পাকিস্তান সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট টুইটারে শেয়ার করা এমন বেশ কয়েকটি ছবি নিয়েই এখন মাতামাতি নেট দুনিয়ায়। রাফিয়া বেগ নামে এক নারী অফিসারের নেতৃত্বেই চলে এই অভিযান।

অ্যান্টি নারকোটিকস বিভাগের ডিজি মেজর জেনারেল মুসারত নওয়াজ মালিক জানিয়েছেন, ড্রাগই সমাজকে শেষ করে দিতে পারে। তাই অ্যান্টি নারকোটিকস বিভাগ সমুলে বিনাশ করতে চাইছে ড্রাগ। ড্রাগ-মুক্ত সমাজ গঠন করতে চাইছে। বাজেয়াপ্ত করা ড্রাগের মধ্যে ছিল কোকেন, মরফিন সহ একাধিক মাদক।

Comments

comments

নিউজটি 90 বার পড়া হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রকাশক : আওরঙ্গজেব কামাল
সম্পাদক : শেখ আঃ সালাম
নির্বাহী সম্পাদক : জি এম হেদায়েত আলী টুকু
যুগ্ন-সম্পাদক : মুন্সী রেজাউল করিম মহব্বত
উপদেষ্টা : জি এম ইমদাদ

ঢাকা অফিস : জীবন বীমা টাওয়ার,১০ দিলকুশা বানিজ্যিক (১০ তলা) এলাকা,ঢাকা-১০০০
অফিস : ফকিরবাড়ীর মোড়,কপিলমুনি বাজার,পাইকগাছা,খুলনা।
মোবাইলঃ ০১৭১৬১৮৪৪১১,০১৭১৩৬৩৪০৫৩

E-mail: dainikkapotakho@gmail.com