সংবাদ শিরোনাম:

গোবিন্দগঞ্জে আব্দুল লতিফ প্রধান এমপি হলে গোবিন্দগঞ্জে কি কি করবেন

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩২, গাইবান্ধা-৪ গোবিন্দগঞ্জ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল লতিফ প্রধান। নৌকা মার্কার জয় নিশ্চিত করতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য উপজেলাব্যাপী তাঁর সুবিন্যস্ত কর্মী সমর্থকরা দিনরাত কাজ করে চলছে। তিনি জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে গোবিন্দগঞ্জের জন্য কি কি করবেন ৫টি প্রশ্নভিত্তিক তাঁর টেলিফোন সাক্ষাৎকারের চুম্বক অংশ নিয়ে গোবিখবর’র ভিজিটরদের জন্য তুলে ধরা হলো:-
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের মূলমন্ত্র নিয়ে দেশে রাজনীতি করে চলছেন। বঙ্গবন্ধুও গণমানুষের কল্যাণে রাজনীতি করতেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক হিসেবে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় উন্নয়নের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতেই আমার রাজনীতিতে পথচলা। একটি সমৃদ্ধ উন্নত বিকাশিতমান গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, গোবিন্দগঞ্জ হবে উত্তর জনপদের রোল মডেল উপজেলা। শিক্ষাদীক্ষা কর্মসংস্থান আইন শৃঙ্খলা রক্ষা সহ আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে তিনি শুরু থেকে যেমন কাজ করে যাচ্ছে তেমনি ভবিষ্যতেও করে যাবেন। গোবিন্দগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নে মনোনিবেশ করে উপজেলায় ব্যাপক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করবেন। তিনি এমপি নির্বাচিত হলে রাস্তাঘাট ব্রীজ কালভাট সহ ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিপ্লব আনায়নের চেষ্টা করবেন। সেই সাথে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করবেন। গোবিন্দগঞ্জ হবে দেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়নের রোল মডেল উপজেলা।
আওয়ামী লীগকে কিভাবে সংগঠিত করেন এই প্রশ্নের জবাবে আব্দুল লতিফ প্রধান বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আমার রক্তের মাঝে মিশে আছে। ১৯৮৭ সালে স্কুল ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দীর্ঘ ৩১ বছর ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করে কাজ করি যাচ্ছি। শত নির্যাতন প্রতিকূলতার মাঝেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হয়নি। আগামীতে এমপি নির্বাচিত হলে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগকে একটি জনপ্রিয় শক্তিশালী গঠন হিসেবে গড়ে তুলবেন। সেই সাথে অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের কার্যক্রমকেও বেগবান করবেন বলে তিনি জানান।
বিরোধী দল কে কিভাবে মোকাবিলা করবেন এই প্রশ্নে জবাবে আব্দুল লতিফ প্রধান বলেন, বিরোধীদল তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার সম্পন্ন ভাবে ভোগ করবে। কিন্তু জ্বালাও পোড়ায়ের মত সমাজবিরোধী কাজ হলে তিনি কঠোর হস্তে তা দমন করবেন। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ নাশকতার আগুন সন্ত্রাসের কোন স্থান নেই। তিনি আরো বলেন, বিরোধীদলকে মত প্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হবে। তবে রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপড়তা যেকোন মূল্যে রোধ কবরেন।
রুটিন উন্নয়নের বাহিরে কি কি উন্নয়ন করবেন এই প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দেশের প্রাণ যুব শক্তিকে জনসম্পদে রুপান্তরের জন্য তিনি উপজেলায় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করবেন। সেই সাথে উপজেলায় খেলাধুলার বিকাশ সাধনের জন্য তিনি স্টেডিয়াম গড়ে তুলবেন। তিনি স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে সদর থেকে দুরবর্তী প্রতিটি ইউনিয়নে ১০ শয্যা বিশিস্ট হাসপাতাল গড়ে তুলে মানুষের দোড়গোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে যাবেন। তিনি আরো জানান, উপজেলায় ব্যাপক কর্মসংস্থান জন্যে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের উদ্বুদ্ধ করে গোবিন্দগঞ্জে কলকারখানা স্থাপন করাবেন। সেই সাথে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) স্থাপন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তিনি বলেন, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলাবাসী যদি তাকে এমপি হিসেবে নির্বাচিত করে তবে তিনি উপজেলায় কোন অঞ্চলে কাঁচা রাস্তা রাখবেন না। সেই সাথে তিনি উপজেলায় টেকসই রাস্তাঘাট ব্রীজ কালভার্ট নির্মাণের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।
উপজেলায় সুষম উন্নয়ন কি ভাবে হবে এই প্রশ্নের জবাবে আব্দুল লতিফ প্রধান জানান, উপজেলায় উন্নয়ন নিয়ে তিনি কোন বৈষম্য করবেন না। যেখানে যেমন প্রয়োজন সেখানে তিনি সেই রুপ উন্নয়ন করবেন। একজন এমপি শুধু বিশেষ এলাকার এমপি নন তিনি সমগ্র উপজেলার এমপি। সেই জন্য তিনি এমপি নির্বাচিত হলে উপজেলায় উন্নয়ন কাজে কোনরুপ পক্ষপাতিত্ব করবেন না বলে তিনি জানান।
আব্দুল লতিফ প্রধান আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে গোবিন্দগঞ্জকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার সোনার মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবেন। সেখানে মুসলমান হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টাণ আদিবাসী সহ সব ধর্মের ও মতের মানুষের সহ অবস্থান নিশ্চিত হবে। গোবিন্দগঞ্জ একটি অসাম্প্রদায়িক উপজেলা হিসেবে সারাদেশে সমাদৃত হবে। গোবিন্দগঞ্জ হবে স্বপ্নের সোনার বাংলার একটি উন্নত জনপদ। ছবি ০১

ব্রহ্মপুত্রে মা ইলিশ ধরার অপরাধে গাইবান্ধায় ৮ জেলের কারাদন্ড
ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা : সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গাইবান্ধা সদর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদে জাল ফেলে মাছ ধরার অপরাধে গত শনিবার দিনব্যাপী অভিযানে ৮ জেলের ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ওই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এনডিসি এমএম আশিক রেজা ও সহকারী কমিশনার শহিদুল ইসলাম ও সিনিয়র সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জয় ব্যানার্জী ।
সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিচালিত এই অভিযানে ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৫ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়। ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে কামারজানী ঘাটে নেমেই জব্দকৃত কারেন্ট জালগুলো কেরোসিন ঢেলে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ফেলা হয়। এছাড়া জব্দকৃত মা ইলিশগুলো গাইবান্ধা বালিকা শিশু পরিবারে দেয়া হয়। আটক জেলেরা হলেন, ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুরের হযরত আলী, আল আমিন, এরেন্ডাবাড়ীর আব্দুল হান্নান, হারুন অর রশিদ, সদর উপজেলার কামারজানীর নুরুজ্জামান, জয়েন উদ্দিন, মোল¬ার চরের শাহ আলম ও হাফিজুর রহমান।

অপরাধ দমনে পলাশবাড়ীতে থানা পুলিশের মোটরসাইকেলে বিশেষ শো ডাউন
ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা : অপরাধ দমন, অপরাধীদের গ্রেফতার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মোটরসাইকেল নিয়ে বিশেষ শো ডাউন করেছে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানা পুলিশ।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিজবুল আলম মুন্সির নেতৃত্বে রবিবার (২৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে থানা থেকে বের হয় শো ডাউনটি। সাইলেন্ট বাজিয়ে শো ডাউনটি বিভিন্ন সড়ক ও বাজার প্রদক্ষিণ করে। এতে থানার কর্মরত পুলিশ সদস্যরা অংশ নেয়।
পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়ার নির্দেশেই শো ডাউনের সময় বিভিন্ন অপরাধ দমন ও অপরাধীদের সম্পর্কে তথ্য দিয়ে সহায়তা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য স্থানীয় জনসাধারণ সাথে আলোচনা করেন পুলিশ সদস্যরা।
এদিকে, রাতের বেলা হঠাৎ করে সাইলেন্ট বাজিয়ে পুলিশের মোটরসাইকেল শো ডাউনে আতষ্ক ছড়িয়ে পড়ে অপরাধীদের মধ্যে। এতে অনেক অপরাধীরা আত্মোপন করে। এছাড়া পুৃলিশের এমন শো ডাউন উপজেলা জুড়েই সাড়া ফেলেছে।
এ ব্যাপারে ওসি, হিজবুল আলম বলেন, ‘অপরাধ দমনে পুলিশি তৎপরতার সাথে জনগনের সচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে, অপরাধীদের গ্রেফতার ও জানমাল রক্ষায় মোটরসাইকেল শো ডাউন করা হয়। প্রতিদিনে সড়ক, হাট-বাজার ও গ্রাম পর্যায়েও শো ডাউন অব্যহত থাকবে। এছাড়া চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, মাদক ব্যবসায়ীসহ অপরাধীদের গ্রেফতারে বিভিন্ন কৌশলেও মাঠে তৎপরতা চালাচ্ছে পুলিশ। যে কোন অপরাধ ও অপরাধীদের ব্যাপারের নির্ভয়ে তথ্য দিতে জনসাধরণের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি’।
বর্তমানে ওসির দায়িত্বে থাকা (ওসি) হিজবুল আলমের নেতৃত্বে থানার কার্যক্রম ও পুলিশ সদস্যদের তৎপরতা বেড়েছে। অপরাধ দমনে গত কয়েকদিনে অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকটি জিআর মামলার আসামী ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার এবং মাদক উদ্ধার করেছেন তিনি।
ওসি, হিজবুল আলম থানায় যোগদানের পর থেকেই যথেষ্ট কর্ম তৎপরতা ও আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার আন্তরিকতায় বর্তমানে অনেকটা স্বস্তি ও আস্থা ফিরছে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে। এমন তৎপরতা অব্যহত থাকলে উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিকসহ অপরাধ দমন ও অপরাধীদের প্রতিহত করতে জনগন উদ্বুদ্ধ হবে বলে মনে করেন সুধি ও সচেতন মহল।

Comments

comments

নিউজটি 43 বার পড়া হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রকাশক : আওরঙ্গজেব কামাল
সম্পাদক : শেখ আঃ সালাম
নির্বাহী সম্পাদক : জি এম হেদায়েত আলী টুকু
যুগ্ন-সম্পাদক : মুন্সী রেজাউল করিম মহব্বত
উপদেষ্টা : জি এম ইমদাদ

ঢাকা অফিস : জীবন বীমা টাওয়ার,১০ দিলকুশা বানিজ্যিক (১০ তলা) এলাকা,ঢাকা-১০০০
অফিস : ফকিরবাড়ীর মোড়,কপিলমুনি বাজার,পাইকগাছা,খুলনা।
মোবাইলঃ ০১৭১৬১৮৪৪১১,০১৭১৩৬৩৪০৫৩

E-mail: dainikkapotakho@gmail.com